জগন্নাথপুরে শৈত্য প্রবাহে জনজীবনে বিপর্যয়, বিপাকে ছিন্নমূল মানুষ
জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

পৌষের শেষের দিকে তীব্র শীত ঝেঁকে বসেছে। শনিবার সকাল থেকেই শীতের দাপট বেড়েছে।সোমবার এর প্রকোপ আরো বেড়ে যায়। দেশের কোথাও মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ চলছে। সেই সাথে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে একই অবস্থা বিরাজমান। বইছে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস। বিভিন্ন স্থানে বইছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। এর মধ্যে নদীর পাড়ের এলাকাগুলোতে শীতের প্রকোপ একটু বেশি।
এদিকে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। উপজেলাধীন হাসপাতাল গুলোতে রোগী ভর্তি বেড়েছে। পৌর শহরের বাসিন্দা সুজন আহমদ শুভ জানান, এই শৈত্য প্রবাহের মধ্যে বাসা থেকে বের হওয়া অনেক কষ্টসাধ্য। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের অসুবিধা হচ্ছে বেশি। তারা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না এই ঠান্ডার মধ্যে। উপজেলা শহর সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী হওয়ের শীতের তীব্রতা বেশি।
অন্যদিকে বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষের সাথে আলাপ করে জানাযায়, এই তীব্র মানুষের জনজীবন থমকে গেছে। বিশেষ করে গরীব ছিন্নমূল মানুষরা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা কাজে বের হতে পারছে না তীব্র শীতে। কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী লোকজন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। জগন্নাথপুরে ৯ই জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গ্রামের বিভিন্ন স্থানে মানুষ খড়কুটোয় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। বাজার গুলোতে ফুটপাতের পুরনো কাপড়ের দোকানগুলোয় ভিড় বেড়েছে। দামও বেড়েছে অনেক। এতে দরিদ্র মানুষেরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন। তবে এখনও সরকারী/বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠান শীতের কাপর নিয়ে এ অঞ্চলের শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়ায়নি।